দিন দিন মানুষের মানবিক গুণাবলী গুলো লোপ পাচ্ছে । বিবেক,বুদ্ধি,জ্ঞান,ন্যায় ও অন্যায় বিবেচনা করার ক্ষমতা ক্রমশঃ হ্রাস পাচ্ছে । একটা ঘটনার সত্যতা যাচাই না করেই অন্যের মুখে শুনে তা অন্ধের মত বিশ্বাস করা যেন একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
মানুষ গুলোর হৃদয় থেকে দয়া,মায়া,মমতা,ভালবাসা হারিয়ে যাচ্ছে,পরিবর্তে হিংসা,বিদ্বেষ,ঘৃণা স্থান দখল করে নিচ্ছে ।
আমরা ধর্মের দোহাই দেই কিন্তু নিজেই ধর্মের অনুশাসন মানি না । নিজের ধর্মটাকে মহান প্রমাণিত করতে গিয়ে অন্য ধর্মকে ছোট করার প্রবনতা লালন করি । অন্যের বিশ্বাস নিয়ে আঘাত করি কিন্তু নিজের বিশ্বাসে আঘাত পড়াটাকে সহ্য করতে পারি না ।
কয়েকদিন দেশের সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে
দেশ একটা সংকটময় সময় অতিক্রম করলো ।
এমতাবস্থায় দেশের বর্তমান সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা আর কিছু সমন্বয়ক যে রকম বক্তব্য দিলেন তাতে আমি হতাশ না হয়ে পারলাম না । তাদের কাছে নিরপেক্ষ বক্তব্য আশা করেছিলাম,কিন্তু তা পাই নি । অন্যদের মত তারাও পক্ষপাতিত্ব করলো । এরকম মনোভাব নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয় ।
আগে নিজের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে,তবেই দেশ পরিবর্তন সম্ভব ।
যারা প্রকৃত অপরাধী তাদের বিচার নিশ্চিত না করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় । এক জনের অপরাধ অন্য জনের কাধেঁ চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
যারা প্রকৃত অপরাধী তারা পার পেয়ে যাচ্ছে,যারা নির্দোষ তাদের কে আখ্যায়িত করা হচ্ছে অপরাধী হিসেবে । দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগেই ট্যাগ দেওয়া বন্ধ না হলে সফলতা সম্ভব নয়।
শেষে বলতে চাই, নিরপেক্ষ হতে শিখুন তাহলে গ্রহনযোগ্যতা পাবেন,নিরপেক্ষ হতে না পারলে বিগত শাসকদের মতই ফল পাবেন,জনগন মনেও রাখবে না ।