তারিখঃ১০/০১/২০২০ থেকে ১২/০১/২০২০ ইং
ইস্তেমার ছুটিতে বাড়িতে এসেছি । বাড়িতে আসার বেশ কয়েকটি উদ্দেশ্য রয়েছে । প্রথমতঃ বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা,দ্বিতীয়তঃ বন্ধন এর পার্টনার শীপের চুক্তিনামা তৈরি করা,প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরি করা,সাইনবোর্ড তৈরি করা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ করা ,তৃতীয়তঃবাড়িতে ঘুরতে আসা ।
দশ তারিখে বাড়িতে এসেই বন্ধু বিপ্লব এর সাথে গেলাম মিরগঞ্জে মেয়ে দেখতে ।
মেয়ে তার স্ত্রীর পিসতুতো বোন । গেলাম দেখতে কিন্তু চোখে লাগল না । অন্যান্য সব দিক ভাল লাগলো কিন্তু আসল যেটা সেটাই চোখে লাগলো না । ভুপেন নামে এক জনের সাথে পরিচয় হল ।বিপ্লবের ভায়রা ভাই । উনি ওনার বাড়িতে নিয়ে গেল । তার বাড়িতে অনেক বড় একটা মন্দির । ভদ্র লোক প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক । বাজারে হার্ডওয়ারের দোকান রয়েছে । আবার অধিকারী । বিভিন্ন রকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত । ওনারা দুই ভাই । বড় ভাইও হাই স্কুলের শিক্ষক । ওনাদের ইচ্ছে জীবন থাকতে ভাই ভাই পৃথক হবেন না ।
ওনাদের চিন্তা ভাবনা সত্যি প্রশংসনীয় । লোকটাকে দেখে খুবই ভাল লাগল । বাড়িতে দুই তলা মন্দির । বাড়ির পাশে সার্বজনীন মন্দির । বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ।আপ্যায়ন করালো । ওখান থেকে বিদায় নিয়ে এসে গেলাম হলদিয়াবন এ । সেখানে সন্যাসী পুজায় সন্তোষকে আমন্ত্রন করা হয়েছে । সন্তোষ এখন উঠতি নেতা । গত উপনির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিল সে । জয় লাভ করতে না পারলেও এলাকায় আলোড়ন তুলেছিল সে । এত কম বয়সে আমাদের এলাকায় কেউ মনে হয় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নি । ভবিষ্যতে তার বিশাল বড় একটা সুযোগ রয়েছে । এভাবেই যদি সে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে ,তাহলে ভবিষ্যতে সে মনোনীত হওয়ার অনেক বড় সমভাবনা রাখে । নির্বাচনের পর থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার নিয়মিত ডাক পড়ে । বিভিন্ন জায়গা থেকে আমন্ত্রণ আসে তার ।
সন্যাসী পুজা দেখে বিদায় নিয়ে আমরা নিমোজ খানায় আমাদের বন্ধনের অফিসে এলাম । এসে মিটিং করলাম । আগামীকাল কি কি কাজ করতে হবে তার খসড়া করা হল । আমাদের পার্টনার শীপের চুক্তি নামা করতে হবে । বিভিন্ন ফরম তৈরি করে নিতে হবে । সাইন বোর্ড বানাতে হবে । কে কি কাজ করবে তা ঠিক করা হল ।
পরদিন ১১ তারিখ । পাঙ্গায় একটা মেয়ে দেখতে গেলাম । আমাদের পুরোহিত শ্যামল ঠাকুর নিয়ে গেল । এখানেও একই অবস্থা । সব দিক ভাল । যাকে দেখতে গেলাম,তাকেই পছন্দ হল না । পরে শ্যামল ঠাকুরের বাড়িতে গিয়ে চা নাস্তা খেয়ে বিফল মনোরথ নিয়ে নিমোজ খানায় চলে এলাম । এ মেয়েটার কোন ছবি নেই নি । ছবি নিয়ে কি হবে । পছন্দ হলে অন্য কথা ছিল ।
আমি,সন্তোষ,সুশীল আর বকুলদা সহ ডোমারে গেলাম । ডোমারে গিয়ে আমাদের চুক্তি নামা তৈরি করতে লাগলাম । সুশীল আর বকুলদা সাইন বোর্ড এর অর্ডার দিল । বঙ্গ বন্ধু আর প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি কেনা হল । এর পর সিলের অর্ডার দেওয়া হল । রাত সাড়ে দশটার দিকে নিমোজ খানায় এলাম । অফিসে সব কিছু রেখে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম ।
পর দিন ১২ তারিখ । আজ কোন পাত্রী দেখার সিডিউল নেই । তাই সুশীল সহ ডোমারে গেলাম সাইন বোর্ড আনতে । ডাচ্ বাংলা বুথে গেলাম টাকা তোলার জন্য । ডেবিট কার্ডটি পড়ে গেল । কি আর করা । কখনো কখনো প্র যুক্তি বিরম্বনার সৃষ্টি করে । শেষে রকেটের মাধ্যমে টাকা তুললাম ।
সুশীল সহ নিমোজ খানায় েএসে মিস্ত্রীর কাছে গেলাম সাইন বোর্ড এর ফ্রেম বানানোর জন্য । এর পর বাড়িতে গেলাম । আজ আমি চলে যাব শ্রীপরে । সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গাড়ি । পাঁচটার দিকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে বের হলাম । বন্ধন এ আজ টাকা দেব । এটা হল আমাদের পার্টনারশীপের টাকা । সবাইকে প্রাথমিক পর্যায়ে পঞ্চাশ হাজার করে দিতে হবে । ইতিমধ্যে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে । আসবাবপত্র,রেজিস্ট্রেশন করা থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা খরচ হয়ে গেছে ।
আমি বেশ কিছু টাকা দিয়েছি ইতিমধ্যে । সর্বপ্রথম আমি ইনভেস্ট করেছি বন্ধন এ । আজ দিলাম ত্রিশ হাজার । এ পর্যন্ত আমার টাকা দেওয়া হয়েছে ৪১৯৭৫ টাকা । বাকি ৮০২৫ টাকা শ্রীপুরে গিয়েই পাঠিয়ে দেব । এখানে ইনভেস্ট করার জন্য অফিস থেকে ঋণ আবেদন করেছিলাম ৪০,০০০ টাকা । আমাকে দেওয়া হয়েছিল ৩০,০০০ টাকা । অথচ কত কাজই না করতে হয় । এ জগৎটা এমনিই । যে যত বেশি কাজ করবে ,সে তত বঞ্চিত হবে । তিনটা অফিসের কাজ করে দেই ,তিন জনের কাজ একাই করি । বেতন তো বাড়ায় না,উপরোন্তু অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে ।
আমি বন্ধনের সভাপতির কাছে টাকা হস্তান্তর করলাম । তার পর হালকা নাস্তা করলাম সবাই মিলে । এরপর পলাশ ভাতিজাকে নিয়ে ডোমারে চলে এলাম । সাড়ে সাতটার গাড়িতে উঠে শ্রীপুরের দিকে রওনা দিলাম । যে আশা আর লক্ষ্য নিয়ে বাড়িতে এসেছি ,সে লক্ষ্য পুরন না হলেও বন্ধন এর অনেক কাজ সম্পন্ন করতে পেরে খুবই ভাল লাগছে ।
মেয়ে তার স্ত্রীর পিসতুতো বোন । গেলাম দেখতে কিন্তু চোখে লাগল না । অন্যান্য সব দিক ভাল লাগলো কিন্তু আসল যেটা সেটাই চোখে লাগলো না । ভুপেন নামে এক জনের সাথে পরিচয় হল ।বিপ্লবের ভায়রা ভাই । উনি ওনার বাড়িতে নিয়ে গেল । তার বাড়িতে অনেক বড় একটা মন্দির । ভদ্র লোক প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক । বাজারে হার্ডওয়ারের দোকান রয়েছে । আবার অধিকারী । বিভিন্ন রকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত । ওনারা দুই ভাই । বড় ভাইও হাই স্কুলের শিক্ষক । ওনাদের ইচ্ছে জীবন থাকতে ভাই ভাই পৃথক হবেন না ।
ওনাদের চিন্তা ভাবনা সত্যি প্রশংসনীয় । লোকটাকে দেখে খুবই ভাল লাগল । বাড়িতে দুই তলা মন্দির । বাড়ির পাশে সার্বজনীন মন্দির । বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ।আপ্যায়ন করালো । ওখান থেকে বিদায় নিয়ে এসে গেলাম হলদিয়াবন এ । সেখানে সন্যাসী পুজায় সন্তোষকে আমন্ত্রন করা হয়েছে । সন্তোষ এখন উঠতি নেতা । গত উপনির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিল সে । জয় লাভ করতে না পারলেও এলাকায় আলোড়ন তুলেছিল সে । এত কম বয়সে আমাদের এলাকায় কেউ মনে হয় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নি । ভবিষ্যতে তার বিশাল বড় একটা সুযোগ রয়েছে । এভাবেই যদি সে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে ,তাহলে ভবিষ্যতে সে মনোনীত হওয়ার অনেক বড় সমভাবনা রাখে । নির্বাচনের পর থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার নিয়মিত ডাক পড়ে । বিভিন্ন জায়গা থেকে আমন্ত্রণ আসে তার ।
সন্যাসী পুজা দেখে বিদায় নিয়ে আমরা নিমোজ খানায় আমাদের বন্ধনের অফিসে এলাম । এসে মিটিং করলাম । আগামীকাল কি কি কাজ করতে হবে তার খসড়া করা হল । আমাদের পার্টনার শীপের চুক্তি নামা করতে হবে । বিভিন্ন ফরম তৈরি করে নিতে হবে । সাইন বোর্ড বানাতে হবে । কে কি কাজ করবে তা ঠিক করা হল ।
পরদিন ১১ তারিখ । পাঙ্গায় একটা মেয়ে দেখতে গেলাম । আমাদের পুরোহিত শ্যামল ঠাকুর নিয়ে গেল । এখানেও একই অবস্থা । সব দিক ভাল । যাকে দেখতে গেলাম,তাকেই পছন্দ হল না । পরে শ্যামল ঠাকুরের বাড়িতে গিয়ে চা নাস্তা খেয়ে বিফল মনোরথ নিয়ে নিমোজ খানায় চলে এলাম । এ মেয়েটার কোন ছবি নেই নি । ছবি নিয়ে কি হবে । পছন্দ হলে অন্য কথা ছিল ।
আমি,সন্তোষ,সুশীল আর বকুলদা সহ ডোমারে গেলাম । ডোমারে গিয়ে আমাদের চুক্তি নামা তৈরি করতে লাগলাম । সুশীল আর বকুলদা সাইন বোর্ড এর অর্ডার দিল । বঙ্গ বন্ধু আর প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি কেনা হল । এর পর সিলের অর্ডার দেওয়া হল । রাত সাড়ে দশটার দিকে নিমোজ খানায় এলাম । অফিসে সব কিছু রেখে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম ।
পর দিন ১২ তারিখ । আজ কোন পাত্রী দেখার সিডিউল নেই । তাই সুশীল সহ ডোমারে গেলাম সাইন বোর্ড আনতে । ডাচ্ বাংলা বুথে গেলাম টাকা তোলার জন্য । ডেবিট কার্ডটি পড়ে গেল । কি আর করা । কখনো কখনো প্র যুক্তি বিরম্বনার সৃষ্টি করে । শেষে রকেটের মাধ্যমে টাকা তুললাম ।
সুশীল সহ নিমোজ খানায় েএসে মিস্ত্রীর কাছে গেলাম সাইন বোর্ড এর ফ্রেম বানানোর জন্য । এর পর বাড়িতে গেলাম । আজ আমি চলে যাব শ্রীপরে । সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গাড়ি । পাঁচটার দিকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে বের হলাম । বন্ধন এ আজ টাকা দেব । এটা হল আমাদের পার্টনারশীপের টাকা । সবাইকে প্রাথমিক পর্যায়ে পঞ্চাশ হাজার করে দিতে হবে । ইতিমধ্যে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে । আসবাবপত্র,রেজিস্ট্রেশন করা থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা খরচ হয়ে গেছে ।
আমি বেশ কিছু টাকা দিয়েছি ইতিমধ্যে । সর্বপ্রথম আমি ইনভেস্ট করেছি বন্ধন এ । আজ দিলাম ত্রিশ হাজার । এ পর্যন্ত আমার টাকা দেওয়া হয়েছে ৪১৯৭৫ টাকা । বাকি ৮০২৫ টাকা শ্রীপুরে গিয়েই পাঠিয়ে দেব । এখানে ইনভেস্ট করার জন্য অফিস থেকে ঋণ আবেদন করেছিলাম ৪০,০০০ টাকা । আমাকে দেওয়া হয়েছিল ৩০,০০০ টাকা । অথচ কত কাজই না করতে হয় । এ জগৎটা এমনিই । যে যত বেশি কাজ করবে ,সে তত বঞ্চিত হবে । তিনটা অফিসের কাজ করে দেই ,তিন জনের কাজ একাই করি । বেতন তো বাড়ায় না,উপরোন্তু অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে ।
আমি বন্ধনের সভাপতির কাছে টাকা হস্তান্তর করলাম । তার পর হালকা নাস্তা করলাম সবাই মিলে । এরপর পলাশ ভাতিজাকে নিয়ে ডোমারে চলে এলাম । সাড়ে সাতটার গাড়িতে উঠে শ্রীপুরের দিকে রওনা দিলাম । যে আশা আর লক্ষ্য নিয়ে বাড়িতে এসেছি ,সে লক্ষ্য পুরন না হলেও বন্ধন এর অনেক কাজ সম্পন্ন করতে পেরে খুবই ভাল লাগছে ।
